নিজস্ব প্রতিবেদক :রাজধানীর বাংলামটরে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বর্ষসেরা পুরস্কার ২০২৬
রাজধানীর বাংলামটরস্থ রূপায়ণ টাওয়ারে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বর্ষসেরা পুরস্কার ২০২৬’। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং গণ্যমান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অব.) পীরজাদা শহীদুল হারুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথ এশিয়া ইউনাইটেড অর্গানাইজেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাকিব আলী এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু।
স্বাগত বক্তব্য দেন দেশ সেরা রক্তদাতা জনাব মোঃ জাভেদ নাছিম।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কবি ও গবেষক ড. এস এম শাহনূর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাউথ এশিয়া ইউনাইটেড অর্গানাইজেশনের সহ-সভাপতি মো. বশির আহম্মেদ। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফ্যাশন ও ড্যান্স কোরিওগ্রাফার হীরা সরকার।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ‘বর্ষসেরা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হয়।
সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন কবি তাহমিনা তাহারাত, কবি ও সুরকার লাবনী আক্তার খুশী, কবি মরিয়ম রহমান, কবি এ এইচ মান্না, কবি ও গীতিকার মো. আশরাফুল ইসলাম, কবি ড. এস এম শাহনূর এবং কবি আবু তালহা।
সেরা রক্তদাতা পুরস্কার পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ সংখ্যকবার রক্তদানকারী জনাব মোঃ জাভেদ নাছিম ও ৫২ বারের রক্তদাতা মেহেদী হাসান শিহাব।
সেরা নারী উদ্যোক্তা পুরস্কার পেয়েছেন আয়েশা রহমান রুপা ও মাহফুজা আক্তার।
সেরা কোরিওগ্রাফার পুরস্কার পেয়েছেন মো. আলামিন হোসাইন ইসরাফিল ও হীরা সরকার।
সেরা শিক্ষক পুরস্কার পেয়েছেন সাদ্দাম হোসাইন।
সেরা ফ্যাশন ডিজাইনার পুরস্কার পেয়েছেন এডলফ খান ও মো. রাশেদ রহমান শুভ।
রত্নগর্ভা মা পুরস্কার পেয়েছেন তাহেরা বেগম।
সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার এস এম শহীদুল আলম, বাবু, মো. বশির আহম্মেদ, সানোয়ার খান ও জে আই খান আরিয়ান। এছাড়া সেরা ব্র্যান্ড হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে ইনশা।
অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে মনোমুগ্ধকর নৃত্য, সঙ্গীত ও আবৃত্তি পরিবেশনের মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করা হয়। পুরো আয়োজনটি ছিল আনন্দঘন, উৎসবমুখর এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।
আয়োজকরা জানান, দেশের বিভিন্ন খাতে অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননার মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।












