সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়- দেবীগঞ্জে নির্বাচনী সভায় মির্জা ফখরুল

স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়- দেবীগঞ্জে নির্বাচনী সভায় মির্জা ফখরুলবিমল কুমার রায়, পঞ্চগড় প্রতিনিধি:‎ বাংলাদেশের নেতৃত্ব এমন কারও হাতে দেওয়া যায় না, যারা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করে না- এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়, তাদের হাতে দেশ কখনোই নিরাপদ থাকতে পারে না।

‎রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌরসভার দেবদারু তলায় আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

‎মির্জা ফখরুল বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু ভোটের লড়াই নয়, এটি একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের নির্বাচন। দেশ কোন পথে যাবে- অতীতের দিকে, নাকি সামনের দিকে; সে সিদ্ধান্ত এখন জনগণের হাতে। তিনি উপস্থিত ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, এই নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পথে এগোবে, না কি আবার অন্ধকারের দিকে ফিরে যাবে।

‎স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বেই একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

‎বিএনপির ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করেছিলেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করে। পরে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন বেগবান হয় এবং নারীদের শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়।

‎তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপির শাসনামলে দেশের অর্থনীতি ছিল স্থিতিশীল এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার আন্তরিক ছিল। বিএনপিই একমাত্র দল, যারা দেশ পরিচালনায় সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিয়েছে।

‎জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতেও তারা দেশের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। তাদের রাজনীতি জনগণের স্বার্থের বিপরীত।

‎জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পঞ্চগড়-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন তোবারক হ্যাপী, সিনিয়র সহ-সভাপতি আইয়ুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী  সংগঠনের নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সমর্থক।

সম্পর্কিত