রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃরাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার শরিসা-কলিমহর ও বাবুপাড়া ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় বেজবাড়া বাজারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩ নারী আহত হয়ে পাংশা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় বাজারের ব্যবসায়ী হেকমত মালের পোল্ট্রি মূরগীর দোকান ভাংচুর ও মূরগী নিয়ে যায়, আশিকের কসমেটিসের দোকান ভাংচুর ও নগদ টাকা, কম্পিউটার, মুল্যবান জিনিসপত্র ব্যাপক ভাংচুর, ওহিদুল ইসলামের ভ্যারাইটিস স্টোরে হামলা ভাংচুর ও শহিদুল ইসলামের দোকান ভাংচুর ও নগদ টাকা , ফিজ্রসহ বিভিন্ন আসবাপত্র ভাংচুর করে। হামলাকারীরা মালামাল নিয়ে যায়।
এ অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামসহ দোকান মালিকরা।
শহিদুল ইসলাম বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমাদের দোকান পাট ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। আমরা চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।
তিনি বলেন, আমার মামা বদর’র নির্দেশে বদর,বাবু,লিটন,মুরাদ,হুসাইন,শামীম,রায়হানসহ ২০/২৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রস্বত্র নিয়ে সন্ধ্যার কিছুসময় আগে আমাদের দোকানে হামলা করে। এ ঘটনায় আমরা ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি।
ঘটনার পরপরই সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) দেব্রত সরকার, পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) রাশেদুর রহমানসহ থানা পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় পাংশা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় পাংশা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তিন নারী শাহানা খাতুন, পলী ও রাখি খাতুন।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার কিছু সময় আগে ২০-২৫ জনের একটি দল বাজারে এসে ভাংচুর শুরু করে। এতে সাধারণ মানুষ আতংকিত হয়ে পড়ে ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দিক বিদিক ছুটতে থাকে। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলমান রয়েছে। বিষয়টি নিরপেক্ষ ভাবে কেউ সমাধান করতে এগিয়ে আসে না। আসলেও পক্ষ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ বাধিয়ে চলে যায়। প্রকৃত পক্ষে কাগজপত্র দেখে সুষ্ট সমাধান করা জরুরী না হলে বড় ধরনের সহিংসতা হতে পারে।
সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) দেব্রত সরকার বলেন, ঘটনাস্থল পরির্দশ করে ক্ষতিগ্রস্থদের লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
এ ব্যপারে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, এ সংবাদ পেয়েই দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় । এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













