নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ ৫ই আগষ্ট, ঐতিহাসিক ৩৬ জুলাই। এই দিনে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের চাপে দেশ ছেড়ে ভারতে পালাতে বাধ্যহয় ভারতীয় এজেন্ট দিল্লিদাসী হাসিনা। এক রক্তক্ষয়ী, হার না মানা প্রতিরোধের মাধ্যমে হাসিনাশাহীর পতনের মাধ্যমে জয় হয় ছাত্র-জনতার। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর এত বড় গণঅভ্যুত্থান এত বড় অভ্যুত্থান এই দেশের মানুষ আর দেখে নাই। আমরা এই বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তিতে নাগেশ্বরী উপজেলাবাসী সহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
কিন্তু এই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্টদের মারণাস্ত্রের সামনে দাড়িয়ে শহীদ ও আহত হওয়া আমাদের প্রত্যেক ভাইয়ের স্বীকৃতি, চিকিৎসা এবং স্ব-পরিবারে পূনর্বাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে সরকার এবং দ্বায়িত্বরত প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিবর্গের দৃশ্যমান অসফলতা আমাদের ব্যথিত করেছে। আমরা এই বিষয়ে আলাদাভাবে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গণঅভ্যুত্থানের সরকারের প্রধান দ্বায়িত্ব এটাই হওয়া উচিৎ ছিল।
কোটা সংস্কারের সাধারণ দাবি নিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলন শহীদ আবু সাইদের নায়কোচিত জীবনদানের পর মুহূর্ত থেকেই রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলনে রুপ নেয়। তার পর শুরু হয় নির্ভিক লাশের মিছিল। অথচ বছর না ঘুরতেই রাষ্ট্র সংস্কারের পথে বাধা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট বিভিন্ন গোষ্ঠী-শক্তি-প্রতিষ্ঠান। তাদের রুখে দিতে আমাদের জুলাইকে ধারণ করে আরও ঐক্যবদ্ধ এবং আরও শক্তিশালী হতে হবে।








