শুক্রবার, ৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

বগুড়ায় বিশাল উলামা সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম খান: “ইসলামপন্থীদের জন্য আসনে ছাড় দিতে প্রস্তুত জামায়াত”

 

বগুড়া প্রতিনিধিঃ
বগুড়ায় অনুষ্ঠিত এক বিশাল উলামা সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, দেশের সকল ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল ও পীর-মাশায়েখদের নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার লক্ষ্যে জামায়াত সর্বোচ্চ ছাড় দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, “বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে আমরা পূর্বঘোষিত যেকোনো আসন থেকেও প্রার্থী প্রত্যাহার করতে রাজি।”

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে শহরের ঐতিহাসিক টিটু মিলনায়তনে বগুড়া জেলা ও মহানগর উলামা-মাশায়েখ পরিষদ আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রফিকুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, “জুলাই বিপ্লবের পর একটি দল নিজেদের দেশের অঘোষিত মালিক মনে করছে। থানা থেকে অপরাধীদের ছাড়িয়ে আনা হচ্ছে, দেশজুড়ে চলছে চাঁদাবাজির উৎসব। প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা নির্দিষ্ট দলের প্রতি অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্ব করছেন।”

তিনি বলেন, “এসব দলকানা কর্মকর্তাদের সরিয়ে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের পদায়ন করতে হবে, অন্যথায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কখনোই সম্ভব নয়।” পাশাপাশি তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

জামায়াত নেতা আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বহু আলেমকে জেলে নেওয়া হয়েছে, যেখানে বসেই আলেম সমাজ ঐক্যের ভিত্তি গড়ে তুলেছেন। সেই ঐক্য আগামী নির্বাচনে বাস্তব রূপ পাবে ইনশাআল্লাহ।” তিনি দাবি করেন, “আগামী নির্বাচনে দেশের সকল ইসলামপন্থীদের ভোটের বাক্স হবে একটাই।”

তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার সরকার জামায়াত নেতৃবৃন্দকে বিচার ছাড়াই হত্যা করেছে। এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িত বিচারক, আইনজীবী, সাক্ষীসহ সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।”

উপস্থিত আলেম-উলামাদের উদ্দেশ্যে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “প্রতিটি মসজিদ হবে দাওয়াতি কাজ এবং ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু। সমাজে সন্ত্রাস ও দুর্নীতি বন্ধে ইসলামপন্থীদের বিকল্প নেই। আল্লাহর আইন ছাড়া কাঙ্ক্ষিত শান্তি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়া সম্ভব নয়।”

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উলামা মাশায়েখ পরিষদ বগুড়া মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ মাওলানা আলমগীর হুসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ড. খলিলুর রহমান মাদানী, অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদ, শায়েখ

সম্পর্কিত