মোঃমকবুলার রহমান,স্টাফ রিপোর্টার,নীলফামারী:
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিয়েছে। আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এটি একটি প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ভারতীয় বিচারব্যবস্থার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।
এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন ইসকন মন্দির স্টিয়ারিং কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও পাঞ্জাবের লুধিয়ানার ‘ভগবান জগন্নাথ রথযাত্রা কমিটি’র প্রধান রাজেশ ঢানডা। তার আইনি লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন ভারতের প্রখ্যাত আইনজীবী ও দেশটির সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহাতগি।
মামলায় দাবি করা হয়েছিল, বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন এবং ভারত সরকার যেন বাংলাদেশের ওপর কূটনৈতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। আবেদনকারীরা চেয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দিক।
তবে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এটি পররাষ্ট্রনীতির বিষয় এবং আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। বিচারপতি খান্না বলেন, “প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমরা কীভাবে হস্তক্ষেপ করব? এটি একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত হবে।”
বিচারপতির এই পর্যবেক্ষণের পর মামলাকারীর আইনজীবী মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন এবং জানান, তার মক্কেল এ বিষয়ে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করতে পারেন।
এই রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিল যে, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জায়গা আদালত নয়, বরং তা সম্পূর্ণরূপে সরকারের দায়িত্ব। বিবিসি বাংলা এমনটি জানিয়েছে।










