রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় বালু ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে মেয়ে দেখানোর কথা বলে ডেকে শাফিন খান ওরফে শাফি’কে (৪০) হত্যার দায়ে ২ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ মোসাম্মৎ জাকিয়া পারভিন এ রায় ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার আমবাড়িয়া বারইপাড়ার মৃত ছালাম মোল্লার ছেলে আরিফ মোল্লা ওরফে আরিফুজ্জামান আরিফ (পলাতক), মধ্য আমবাড়িয়ার মৃত ইব্রাহিম প্রামাণিকের ছেলে রুহুল আমিন প্রামাণিকের অপরাধ সংঘটনে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ২ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়।
এ ছাড়া রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার সেনগ্রামের মুরাদ আলী মণ্ডলের ছেলে সামাদ মণ্ডল, মোঃ শাজাহান প্রামাণিকের ছেলে ওয়াহেদ আলী প্রামাণিক, পাবনা জেলা সদরের কণ্ঠগজরা (চর) আকাই কাজীর ছেলে রশিদ কাজী, কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার আমবাড়িয়া বাড়ইপাড়ার মৃত আব্দুস ছাত্তার মোল্লার ছেলে রাজিব মোল্লা, মোঃ আবুল হোসেন ওরফে আবু মোল্লার ছেলে সবুজ মোল্লা, মৃত মোতালেব মোল্লার ছেলে সাগর মোল্লাকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় এবং অপর অপরাধের জন্য তাদের প্রত্যেককে ৭ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে রায় দেন আদালত।
এ মামলা থেকে কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার আমবাড়িয়া গ্রামের মোঃ আক্কাস আলীর ছেলে সেলিম রানা, মৃত ঈমান আলী মোল্লার ছেলে রতন মোল্লা, ভবানীগঞ্জ গ্রামের আব্দুর রহিম মাষ্টারের ছেলে সুমন ওরফে কবিরুল ইসলাম সুমনের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস প্রদান করা হয়। রায়ের সময় আরিফ মোল্লা আরিফুজ্জামান আরিফ ও রশিদ কাজী আদালতে উপস্থিত ছিল না।
রাজবাড়ী জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক (২) বলেন, ‘বালুর ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে মেয়ে দেখানোর কথা বলে ডেকে এনে অপরাধীরা শাফিনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। সেই মামলার রায়ে আদালত ২ জনের ফাঁসি ও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে।






