নুরুল ইসলাম ,রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দিতে হালি পেঁয়াজ লাগাতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। মসলা জাতীয় ফসলের মধ্যে পেঁয়াজ অন্যতম।
বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলাতে। ভোর থেকে সন্ধা পর্যন্ত কৃষকরা হালি পেঁয়াজ রোপন করছে। কৃষকদের পাশাপাশি কৃষাণীরা তাদের সহযোগিতা করেছেন সকালে কৃষকদের খাবার রান্না করে মাঠে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে তারা।বালিয়াকান্দি উপজেলা ব্যাপি এখন মাঠে মাঠে হালি পেঁয়াজ রোপন করছে কৃষকরা।
উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের গোসাই গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক টুকু সেক জনান, আমি ২০ বিঘা জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপন করছি আমার ৪ লক্ষ টাকা খরচ হবে ভাল হলে ১০ লক্ষ টাকা লাভ হবে।
জাকির হোসেন জানান, আমি ৫ বিঘা জমিতে হালি পেঁয়াজ রোপন করেছি। লাল তীর কিং জাতের বিজ রোপন করেছি ৫ বিঘাতে আমার ৮০ হাজার টাকা খরচ হবে। আবহাওয়া ভালো হলে প্রতি বিঘাতে কমপক্ষে ৫০- ৬০ মন পেঁয়াজ হবে।তাতে আমার ২ লক্ষ টাকা লাভ হবে।
কোমরদিয়া গ্রামের সজিব শেখ জানান, আমি ৪ বিঘাতে করস ৮০ জাতের হালি পেঁয়াজ রোপন করেছি আমার ৫০- ৬০ হাজার টাকা খরচ হবে আশা করছি তিন লাখ টাকা লাভ হবে।
জামালপুর ইউনিয়নের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আকরাম হোসেন জানান, এবার কৃষকরা ৮-১০ জাতের বিজ রোপন করে হালি পেঁয়াজ রোপন করছে এর মধ্যে লাল তীর কিং জাতের হালি পেঁয়াজ বেশি রোপন করছে কৃষকরা কারন লাল তীর কিং জাতের পেঁয়াজ বিঘাপ্রতি ৫০-৬০ মন উৎপাদন হয়।
বালিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম দৈনিক বায়ান্নকে জানান, বালিয়াকান্দি উপজেলাতে এবার ১ হাজার কৃষকদের ১ কেজি বীজ ও ২০ কেজি সার দিয়ে সরকারী ভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে।
বালিয়াকান্দিতে এবার ১০ হাজার তিনশত ৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ রোপন করছে কৃষকরা।
আমাদের উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নের সহকারী উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কিভাবে পরিচর্যা করতে হবে।কোন সময় কোন সার, কোন কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে কখন স্প্রে করতে হবে।
তিনি আরও জানান, আবহাওয়া ভালো থাকলে বালিয়াকান্দি যে পরিমান পেঁয়াজ উৎপাদন হবে তা যদি সঠিক ভাবে সংরক্ষন করা যায় তাহলে আমারদের বালিয়াকান্দি উপজেলার কৃষকরা অর্থনীতিকভাবে ভালো থাকবে।










