মোঃ আমিরুল হক, রাজবাড়ীঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দী উপজেলার ৩নং নবাবপুর ইউনিয়ন গত ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর থেকে জেলার বালিয়াকান্দী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মধ্যে কয়েকজন গা ঢাকা দিলেও নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানঃ মোঃ বাদশা আলমগীর নিজ কার্যালয়ে নিয়মিত ভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নাগরিক সেবা অব্যাহত রেখেছেন।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নবাবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় চেয়ারম্যান মোঃ বাদশা আলমগীর প্রতি দিনের ন্যায় স্বাভাবিকভাবেই তার অফিসের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি আমার পরিষদের নির্বাচিত ১২জন সদস্যকে সাথে নিয়ে উন্নয়ন কাজ, নাগরিক সেবাসহ পরিষদের সকল প্রকার কাজ করে থাকি । এখানে কোন ইউপি সদস্য কোনদিনই বৈষম্যের স্বীকার হয়নি। আশা করি আগামীতেও হবে না।
ইউনিয়ন পরিষদে সেবা গ্রহন করতে আসা বেশ কয়েকজন সেবাগ্রহিতা বলেন, দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দেখতে পাচ্ছি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান, মেম্বারগণ নিয়মিত অফিস করছেন না। যার কারণে সেবা পাওয়া থেকে বণ্চিত হচ্ছেন। অথচ আমরা আমাদের নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদে এসে সকল প্রকার সেবা পাচ্ছি। আমরা নিয়মিত সেবা পেয়ে খুশি।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ বাদশা আলমগীর বলেন, আমরা নির্বাচিত সকল জনপ্রতিনিধি মিলেমিশে নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদটাকে একটা আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের ইউনিয়নের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি শান্ত আছে।
এখানে আমরা দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছি। আমি আমার সাধ্যমত ইউনিয়ন বাসীর নাগরিক সেবা প্রদান করে যাচ্ছি। সুযোগ থাকলে আগামীতেও এটার ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।পরিষদের অন্যান্য পুরুষ সদস্য, মহিলা সদস্যদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মহিলা সদস্য মর্জিনা খাতুন বলেন, ছাত্র জনতার আন্দোলনে সরকারের পতনের পর শুনেছি বিভিন্ন পরিষদে অনেক চেয়ারম্যান গা ঢাকা দিয়েছেন কিন্তু আমাদের পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়মিত অফিসে আসছেন।আমরা সবাই মিলে জনগণের নাগরিগ সেবা প্রদান করছি।








