উত্তরবঙ্গের সংবাদ ডেস্ক: ছাত্রলীগ নেতা, পুলিশ সদস্য ও শিক্ষকসহ অর্ধশতাধিক আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত হওয়া রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) আবু সাঈদের পরিবার।
রবিবার (১৮ আগস্ট) রংপুর মেট্রোপলিটনের আওতাধীন তাজহাট থানায় এ মামলা দায়ের করেন নিহতের জ্যেষ্ঠ ভাই মো. রমজান আলী।
মামলার আসামিরা হলেন পুলিশের এএসআই আমীর আলী, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বেরোবি ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া, রংপুর মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. আরিফুজ্জামান, মো. আল ইমরান হোসেন, উপপুলিশ কমিশনার মো. আবু মারুফ হোসেন, বেরোবি প্রক্টর অফিসের কর্মকর্তা রাফিউল হাসান, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল, বেরোবি ফাঁড়ির ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায়, তাজহাট থানার ওসি রবিউল ইসলাম, বেরোবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার টগর, দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম মাহফুজ, সাবেক পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আব্দুল বাতেন, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ ছাড়াও, আরও অজ্ঞাত ৩০/৩৫ জন এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভরত অবস্থায় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নং ফটকের সামনে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান বেরোবির ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তিনি বেরোবির বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
আর আহমেদ/







