প্রতীকী ছবি
ইউবিএস ডেস্ক: সারা দেশে চলমান তাপপ্রবাহের শেষে আগামী মে মাসের মাঝামাঝি ঘূর্ণিঝড় হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) আগামী ১০ দিনের মধ্যে কোনো ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও মে মাসের মাঝামাঝি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ।
এ বিষয়ে পলাশ বলেন:
দেশে চলমান তাপপ্রবাহ মে মাসের ২ তারিখের আগে হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে মে মাসের ১৫ তারিখের পরে। বাস্তবে যদি ঘূর্ণিঝড়টির সৃষ্টি হয় তবে ওমানের দেওয়া নামানুসারে ঝড়টির নাম দেওয়া হবে ‘রিমাল’।
এ ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া আবহাওয়া পূর্বাভাস পর্যালোচনা করে তিনি আরও বলেন:
বর্ষাকালের আগে ঘূর্ণিঝড় মৌসুম মার্চ মাসে শুরু হলেও ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড়, নিম্নচাপ কিংবা লঘুচাপও সৃষ্টি হতে দেখা যায়নি। ফলে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট পরিমাণে শক্তি সঞ্চিত হয়েছে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি যেহেতু মে মাসের ১৫ তারিখের পরে সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা, সেহেতু সেটি খুবই শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পাশাপাশি মে মাসের ৩ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির শক্তি কেমন হবে ও কোন উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা বেশি সে সম্পর্কে অপেক্ষাকৃত সঠিক ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন মোস্তফা কামাল পলাশ।
অপরদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা বলেছেন:
আগামী ১০ দিনের পূর্বাভাসে কোনো ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা নেই। তবে বর্ষা পূর্ববর্তী সময়ে সাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকে। সে হিসেবে মে মাসের শেষের দিকে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির অনেক সম্ভাবনা আছে।
এ দিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) পর্যন্ত তাপ সতর্কতা বাড়িয়েছে কারণ চলমান তাপপ্রবাহ গতকাল থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে পূর্বাভাসে দেখা গেছে। যা চলতি মাসের ৭ম তাপপ্রবাহ সতর্কতা।













