শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

রৌমারীতে নাজিরের কান্ডে জনতার বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোটারঃ
বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্য এবং স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গড়িমসি করায় নাজির ফরিদুল ইসলাম ও কমিশনার আক্তারুজ্জামানকে অবরুদ্ধ করেছে বাদীপক্ষসহ স্থানীয় জনতা। এক ঘটনায় স্থানীয়রা তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার বিকেল চারটার দিকে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের বাগুয়ারচর বাইটকামারী নামক এলাকায়।
পুলিশ, স্থানীয় এবং আদালত সূত্রে জানা যায়, রৌমারী উপজেলার বাইটকামারী গ্রামের ছুরমান আলীর সাথে পার্শবতী গ্রামের এবং আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নিবাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা আবু হানিফের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। উভয় পক্ষের দাখিলকৃত কাগজ পত্রাদি ও প্রমানাদি শুনানী অন্তে ২০২৩ সালের ৬ আগস্ট তারিখে রৌমারী সহকারী জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আমিনুল ইসলাম বাদী পক্ষে রায় ঘোষনা করেন এবং বিরোধ পণ জমির ওপর স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য নিদেশ দেন।
রোববার (১০ ডিসেম্বর) সকালে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ মোতাবেক ঘটনাস্থলে রৌমারীতে সহকারি জজ কোটের নাজির ফরিদুল ইসলাম, কমিশনার আক্তারুজ্জামান ও জারিকারক রুহুল আমিন এবং কোট পুলিশের উপ-পরিদর্শক এসআই রেজাউল ইসলামসহ কয়েক জন পুলিশ সদস্যসহ স্থাপনাটি উচ্ছেদ করতে আসেন। বাঁধ সাজেন বিবাদী পক্ষের লোকজন।
এদিকে বাদী পক্ষের অভিযোগ তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে আমাদের কথা না শুনে উল্টো বিবাদী পক্ষের লোকজনের সাথে আঁতাত করে বিজ্ঞ আদালতের বিচারকের কথা মতো কাজ না করে গরিমসি করতে থাকেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলে আমাদেরকে ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দেন। নিরুপায় হয়ে আমরা তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রাখি। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে।
এ প্রসঙ্গে বিবাদী আবু হানিফ বলেন, যারা উচ্ছেদ করতে আসছিলেন। তারা দেখেছেন বিরোধপণ জমিটির ওপর স্থাপনা না থাকায় তারা চলে যাওয়ার চেষ্ঠা করে। আমি এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করব।
সহকারি জজ আদালতের নাজির ফরিদুল ইসলাম এ ব্যাপারে সাংবাদিকের কাছে কোন মন্তব্য করেননি।

সম্পর্কিত