মোহনপুর প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়শা সিদ্দিকা ও কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রকল্পের কাজে নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার একটি অভিযোগ বিভিন্ন দফতরে জমা দেন উপজেলার ভাতুড়িয়া গ্রামের মৃত রফিক উদ্দিনের ছেলে ওহাব। গত ১০ সেপ্টেম্বর লিখিতভাবে বিস্তর অভিযোগটি জমা দেন তিনি। অভিযোগে যেসকল কাজে অনিয়ম হয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়াও অভিযোগটি যাচাই-বাছাই না করে মনগড়া সংবাদ প্রকাশের নিন্দা জানান তারা।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চালায় স্থানীয় সাংবাদিকেরা। অভিযোগ অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার ৩টি ডরমিটরি ভবন (কোয়ার্টার) সংস্কার ও রক্ষনাবেক্ষন কাজ নাম মাত্র করে বিল তুলে নিয়েছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অথচ এই তিনটি ভবন একেবারেই জরাজীর্ণ অবস্থায় বসবাসের অনুপযোগী ছিলো। যা সম্পূর্ণ রুপে সংস্কার করে বাসযোগ্য করে গড়ে তুলা হয়েছে। এসব ভবনে বর্তমানে যারা বসবাস করছেন তাদের বরাতে সংস্কার কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেছেন ঠিকাদার বলে জানা গেছে। এ সংস্কার কাজের বিলের বিষয়ে অভিযোগে প্রতিটা ভবন ১০ লক্ষ টাকা করে বিল দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ কাগজপত্র ঘেটে ট্যাক্স ভ্যাট বাদে প্রতিটা ভবন সংস্কার বাবদ ৮ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা উত্তোলন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ধারাবাহিকভাবে বুঝিয়ে দেন কর্মকর্তারা। এছাড়াও অভিযোগে যেসকল আইডি নম্বর ব্যবহার করা হয়ে তা সম্পূর্ণ মনগড়া ও ভূয়া বলে প্রতিয়মান হয়েছে।
অভিযোগে, উপজেলা পরিষদ চত্তরের মেইন রাস্তার কাজ না করেই ইউএনও’র যোগসাজশে সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রকৌশলী ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯ শত টাকা আত্মসাত করেছেন বল�








