বৃহস্পতিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৯ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থান— দুটি চোখ বাংলাদেশের: মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী

মোঃ মকবুলার রহমান,স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী:

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন,
“মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের এক চোখ, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান আমাদের আরেক চোখ। কোনো এক চোখকে অবহেলা করা বা অন্যটির মর্যাদা খর্ব করা হলো কুৎসিত রাজনীতি— যা আমরা সমর্থন করি না।”

রবিবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারীর ডোমার নাট্য সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর সদস্য সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত সভাপতি আলহাজ্ব মো. সাজ্জাদ কিবরিয়া পাপ্পু।

মাওলানা আফেন্দী আরও বলেন,
“বাংলাদেশের নির্বাচনের ট্রেন ইতিমধ্যে ছেড়ে দিয়েছে। সময়মতো নির্বাচন ঠেকাতে নানা চক্রান্ত চলছে, বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। কিন্তু আমরা কোনো ষড়যন্ত্র বরদাস্ত করব না। ঘোষিত সময়সীমার মধ্যেই নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে— এ বিষয়ে কোনো গড়িমসি বা টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না।”

তিনি বলেন,
“আমরা সংবিধান রক্ষার পক্ষপাতি, তেমনি জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-ও রক্ষিত হোক— সেই প্রত্যাশাও করি। এই সনদে আমরা সাক্ষর করেছি, এবং ভবিষ্যতের বাংলাদেশ সেই সনদের আলোকে গঠিত হবে। কেউ যদি আবারও দেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে, তাকে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা হবে।”

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আফেন্দী বলেন,
“শহীদ আবু সাঈদসহ যারা ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন— তাদের ত্যাগ বৃথা যাবে না। আমরা তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নীলফামারী জেলা সভাপতি মাওলানা ইসমাইল হোসেন রিয়াজী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল্লাহ মঞ্জুর এবং স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

কাউন্সিল অধিবেশনের মাধ্যমে আগামী তিন বছরের জন্য আলহাজ্ব মো. সাজ্জাদ কিবরিয়া পাপ্পুকে সভাপতি ও মাওলানা জাহিদ হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সম্পর্কিত