মোঃ ওয়ালীউল্লাহ হাসান,জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি:
জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের সুধুইল আমিনিয়া মুহাব্বতিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম এর অভিযোগ পাওয়া যায়।
আজ ১১ ই সেপ্টেম্বর, বুধবার মাদ্রাসায় গিয়ে জানা যায় বিগত দিনে জ্যেষ্ঠতা লংঘন করে সুপার এর নিয়োগ দেওয়া হয়।
সেই সুপার নিয়োগ দেয় সহ সুপার আবুল কালাম আজাদ কে পরবর্তীতে সুপার অবসরে গেলে সহ সুপার আবুল কালাম আজাদ সুপার এর দায়িত্ব নেয়,
কিন্তু সিনিয়র শিক্ষক দের প্রত্যায়ন না দেওয়ায় তাদের উপর চলে বিভিন্ন অনিয়ম ও অত্যাচার সিনিয়র শিক্ষক মোঃ ইউনুস আলী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে একাধিক বার ছুটির আবেদন করার,
পরেও তার ছুটি মঞ্জুর না করে তার ২৫ দিনের বেতন কর্তন করা হয়।
এদিকে সিনিয়র শিক্ষক মোঃ সাখাওত হোসেন কে প্রত্যয়ন না দেওয়াই তাকে ১১ দিনে তিনটি শোকজ দেওয়া হয়।
এবং সকল এর কারণ দর্শানোর সময় পার হওয়ার পর তার হাতে দেওয়া হয় সোকোজ নোটিশ এবং সরকারি ছুটির দিনে তাকে নিয়ম বহিরভূত সাসপেন করা হয়।
গ্রামবাসীর একাদশ সালিশের পর সাসপেনশন তুলে নেওয়ার কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত সাসপেনশন তোলা হয় নাই।
এবং তাকে এবং সিনিয়র শিক্ষক মোঃ ইউনুছ আলীকে বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হয় এরাই ধারাবাহিকতায় আমরা জানতে পারি আজ পর্যন্ত বেতন কোন শিক্ষক পায় নাই।
শিক্ষকদের বেতন সিট কমপ্লিট হওয়ার পরও এখনো কেউ বেতন পায় নাই সুপার সাহেব কে বলা হলে তিনি বলেন আমি কমিটির নির্দেশের সব করেছি অপরদিকে কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
সেই কমিটির থেকে জানা যায় তারা বেতন আটকানোর ব্যাপারে কোন প্রকার বাধ্যবাধকতা করে নাই
এ ব্যাপারে গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জানা যায়, যে এই সুপার আসার পর থেকে প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন অনিয়ম এবং শিক্ষকদের উপর বিভিন্ন অত্যাচার করা হয়।
কারণ হিসেবে জানাজায় সিনিয়র শিক্ষকগণ না সুপার নিয়োগের বিষয় এ কারণে তারা প্রত্যয়নপত্র না দেওয়াই সিনিয়র শিক্ষকদের উপর সুপার মোঃ আবুল কালাম আজাদ বিভিন্ন রকম, অনিয়ম এবং অত্যাচার চালায় সুপারের কাছে নিয়োগের রেজুলেশন দেখতে চাইলে, তিনি তা দেখাতে পারবেন না বলে, এবং বিভিন্ন প্রেস মিডিয়ার সাংবাদিকগণ তাকে জিজ্ঞেস করতে চাই? আপনি আপনার আসনে বসেন আপনার সঙ্গে কথা আছে সুপার সাহেব, তখন বলে আমি ওই চেয়ারে বসবো না।
এবং এখন পর্যন্ত বসি নাই অপরদিকে জানা যায় মাদ্রাসার পুকুরের মাছ, উত্তোলন করা হয় মাদ্রাসার কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় মাদ্রাসায় কমিটি নাই।
কোন প্রকার কমিটি না থাকায় মাদ্রাসার সুপার আবুল কালাম আজাদ এককভাবে পুকুরের মাছ, উত্তোলন করেন এবং পুকুর শেষে সব মাছ বিক্রি করে দেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদ্রাসার দুর্নীতি অনিয়ম তদন্ত করার জন্য যে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি আমাকে হুকুম দিয়েছে তাই, আমি এসব করেছি অপর দিকে তদন্ত কমিটির বিভিন্ন সদস্যর সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তারা এরকম কোন হুকুম দেন নাই।








