মোঃমকবুলার রহমান,স্টাফ রিপোর্টারঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আটজনকে বসুন্ধরা গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু তাহের বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) এ রায় ঘোষণা করেন।
এ রায়ের মাধ্যমে বিচারিক আদালতে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
কারা ছিলেন আসামি?
এ মামলার অপর আসামিরা হলেন—
সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর
তারেক রহমানের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী মিয়া নুর উদ্দিন অপু
বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান
তার দুই ছেলে সাফিয়াত সোবহান ও সাদাত সোবহান
বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক আবু সুফিয়ান
ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল (ইকোনো কামাল)
আদালতের পর্যবেক্ষণ:
রায়ে বিচারক বলেন, “এটি একটি হোপলেস মামলা। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজানো হয়েছিল। প্রসিকিউশন অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে।”
তারেক রহমানের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার জানান, “এক-এগারোর সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ মামলা করা হয়েছিল। মূল উদ্দেশ্য ছিল তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া। মামলার ১৫ জন সাক্ষীর কেউ তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি।”
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আর মামলা নেই:
বিএনপির আইনজীবী বোরহান উদ্দিন বলেন, “দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। এখন দেশে ফিরে তারেক রহমানের রাজনীতি করতে আইনগত বাধা নেই।”
মামলার পটভূমি:
২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক সাব্বির হত্যা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর দুদক দুর্নীতির মামলা করে। মামলায় প্রথমে ছয়জন এবং পরে আটজনকে আসামি করা হয়। ২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল দুদক অভিযোগপত্র দাখিল করে।
এই রায়ের মাধ্যমে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে থাকা সব মামলা শেষ হলো।








