শনিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১১ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

তিস্তা ব্যারাজে লাখো দর্শনার্থীর ঢল

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

মোঃ ইব্রাহিম সরকার স্টাফ রিপোর্টারঃপবিত্র ঈদ – উল ফিতরে আনন্দ উপভোগ করতে প্রতি বছরে ন্যায় এবারও দেশের বৃহত্তম তিস্তা ব্যারাজে লাখো বিনোদপ্রেমী লাখো মানিষের ঢল। ঈদের নামাজ শেষ হতেই ব্যারাজে মানুষের সমাগমে তিল ধরাণের ঠাঁই নেই। উৎসব আর আনন্দে মেতে উঠেছে তিস্তা ব্যারাজ এলাকা। অপর দিকে তিস্তা ভাটিতে নৌকা আর স্পিডবোটে এ যেন সমুদ্রের তীরের সৈকতের ছোঁয়া। স্পিডবোট আর পালতোলা নৌকায় উঠার অপেক্ষা করছে দর্শনার্থীরা। প্রতিবছর ঈদ ও নানা উৎসবের দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে। হাতিবান্ধা উপজেলা থেকে আসা দর্শনার্থী রুমানা বিজলী বলেন,ঈদের প্রথম দিন আজ, খুবই আনন্দ লাগছে অনেক মজা করছি আমারা এখানে, আমি আমার স্বামী ও ছেলে- মেয়ে নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছি। ৩০ টি রোজার পর এই ঈদ অনেক খুশি লাগছে যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে আসা লাভলু মিয়া বলেন, ঈদ উপলক্ষে শিশুদের নিয়ে তিস্তা ব্যারাজে ঘুরতে আসছি।অএ এলাকায় কোনো বিনেদন কেন্দ্র নেই। এই এলাকায় যদি শিশুদের জন্য নাগরদোলা ও খেলার সামগ্রী স্থাপন করলে আরও ভালো হতো। দর্শনার্থী রুহুল বলেন, আমরা ঢাকা শহরের গলির মধ্যে বসবাস করি তাই এই ঈদে শিশু সন্তানদের নিয়ে খোলা জায়গায় একটু নিঃশ্বাস নিতে তিস্তা ব্যারাজে এসেছি।

সম্পর্কিত