ডিওএইচএস বাড়িধারায় দায়িত্বে থাকা একদল নিরাপত্তাকর্মীর বর্বর আচরণে দুইজন সাংবাদিক অপমান, হুমকি ও নির্যাতনের মুখে পড়েছেন। ঘটনার বিবরণ শুনলে যে কেউ বলবে এরা নিরাপত্তাকর্মী নয়, বরং ক্ষমতার অপব্যবহারকারী দুষ্কৃতকারী। জরুরি প্রয়োজনে সাংবাদিক যখন ভদ্রভাবে জিজ্ঞেস করেন ভাই, এদিক দিয়ে কি একটু যাওয়া যাবে? মুহূর্তেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে নিরাপত্তাকর্মী আইনুল, মিঠু, মানিকসহ আরও কয়েকজন। প্রথমে চিৎকার দেখি, এদিক দিয়ে কে মোটরসাইকেল নিয়ে যায়! তারপরই সাংবাদিকের দিকে তেড়ে আসা, ধাক্কাধাক্কি,ধরে নেওয়ার চেষ্টা,খেয়ে ফেলবো,ধরনের ভয়ংকর হুমকি কিন্তু এখানেই শেষ নয়।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক ঘটনা:
সাংবাদিককে ক্যামেরা বন্ধ করতে জোরাজুরি ভিডিও করতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। হাতে থাকা মোবাইল ফোন জোরে টানাটানি করে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও অপমান বাড়তে থাকে। এ যেন শুধু একজন সাংবাদিককে অপদস্থ করা নয় সত্যকে দমিয়ে দেওয়ার নগ্ন প্রচেষ্টা।
স্থানীয়রা পর্যন্ত বিস্মিত হয়ে বলেন একজন সংবাদকর্মী যদি এমন নির্যাতনের শিকার হয়, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
পাঠকের রাগ হতাশা এখন একটাই দিকে
তোরা ভুল করেছিস! সাংবাদিকের ক্যামেরায় হাত দেওয়া মানে জনগণের চোখ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা।
সাংবাদিক সমাজ বলছে ক্যামেরা বন্ধ করানো, ভিডিও করতে নিষেধ আর ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এগুলো কোনও ছোট ঘটনা নয়। এটি স্পষ্টভাবে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর বর্বর হামলা। ডিওএইচএস কর্তৃপক্ষের নীরবতা আরও প্রশ্ন তৈরি করেছে। দ্রুত তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক মহল।













