নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কুড়িগ্রামে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা’ শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত।
কুড়িগ্রামে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা’ শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় কুড়িগ্রাম জেলার ৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থিত গ্রাম আদালতগুলো গত এক বছরে মোট ২ হাজার ৩৩৫টি আদালতের এখতিয়ার ভুক্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তি করেছে। নিষ্পত্তি হওয়া এসব মামলা গ্রাম আদালতে নিষ্পত্তি হওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়।
আজ ৩০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম( তয় পর্যায়) – এর বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা’ শীর্ষক সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি.এম কুদরত-এ-খুদা। এসময় এভিসিবি-৩ প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক দৌলতুন নেছা জানান, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত গ্রাম আদালতগুলোতে সুবিধাবঞ্চিত বিচারপ্রার্থীরা মোট ২ হাজার ৫১৫টি আবেদন জমা দেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৩৫টি মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আদালতের বিচারপ্রার্থীরা মোট ১ কোটি ৫১ লাখ ৬২ হাজার ৩২০ টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন।
সভার প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, “ইউনিয়নের ভালো মন্দ সব কিছু দেখার দায়িত্ব ইউপি চেয়ারম্যানগনের। এবিষয়ে চেয়ারম্যানদের আন্তরিক হতে হবে। বিশেষ করে সীমানা সংক্রান্ত পারিপার্শ্বিক দ্বন্দ্ব। এ সমস্যা গুলো গ্রাম আদালতের মাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে নিষ্পত্তি করতে হবে। পরিষদের এজলাস গুলো সংস্কার করতে হবে। গ্রাম আদালতের বিচার প্রক্রিয়ায় ইউনিয়নের সকল নাগরিককে সমান দৃষ্টিতে দেখতে হবে। এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”
সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রিতম কুন্ডু’র সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তারুজ্জামান, প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ খন্দকার মাহফুজার রহমান, সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্যানেল চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন।










