সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ADVERTISEMENT

রৌমারী-রাজিবপুরে ঠান্ডায় কাবু নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষজন

স্টাফ রিপোর্টার:পৌষের শেষে এসে কুড়িগ্রামের রৌমারী রাজিবপুরে ঘন কুয়াশার দাপট কিছুটা কম থাকলেও হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডায় শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন পড়েছে বিপাকে।
গত রাতে বৃষ্টির ফোঁটার মত পড়ছে কুয়াশা। সকাল ১০টা প্রর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের। ফলে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে মানুষজন।

এদিকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় কাছাকাছি হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে। এ অবস্থায় শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন প্রয়োজনীয় গরম কাপড়ের অভাবে সময় মতো কাজে বের হতে পারছে না। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের কিছুটা উত্তাপ ছড়ালেও বিকেল হতেই তাপমাত্রা আবারও নিম্নগামী হতে থাকে।

রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়রে চর বন্দবেড় গ্রামের হাফিজুর রহমান বলেন, ঠান্ডায় আমার অবস্থা শেষ। হাতে টাকা পয়সা নাই, শীতের কাপড় কিনতে পারি না। মানসে আমারে একটা জ্যাকেট দিছে সেটা গাঁয়েদিয়ে আমার ঠান্ডা একটু কমছে।

রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের মালেক মিয়া বলেন, আজ কুয়াশা কম কিন্তু সেই ঠান্ডা। হাত পা বরফ হয়ে যাচ্ছে। ঠান্ডায় মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। বাতাসে আমাগোরে কাবু করে ফেলছে।

বন্দবেড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারমম্যান বীবমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ আব্দুল কাদের সরকার বলেন, কিছুদিন আগে পিআইও অফিস থেকে ৩৫০টা কম্ব^ল পেয়েছি তা বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন আমার ইউনিয়নে অধিকাংশ মানুর চরাঞ্চলে তারা শীতর কারণে মাঠে কাজ কর্তে পারেনা। আমি আমার এ চরাঞ্চলে মানুষের জন্য আরো কিছু কম্বল ও জ্যাকেট এর আবেদন করেছি।

কোদালকাটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ন কবির ছক্কু বলেন, কিছুদিন আগে মাদরাসার ছাত্রদের জন্য ২০০ কম্বল পেয়েছি তা বিতরণ করা হয়েছে। আর কোন শীতবস্ত্র পাইনি। তবে পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শামছুদ্দিন বলেন, এ উপজেলায় জেলা প্রশাসক ৩হাজার ১শ‘ ১০টি কম্বল বরাদ্দদেয় ইতিমদ্ধে আমি রৌমারী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে২৪৫০ টি কম্বল বিতারন করেছি। বাকি ৬৬০টি কম্বল কিছুদিনের মধেই বিতারণ করবো।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান বলেন, আমাদের কাছে যা কম্বল ছিলো তা ৬টি ইউনিয়নে বিতরণ করা হয়েছে। আরো কম্বলের চাহিদা দেওয়া হয়েছে আশাকরি দুই একদিনের মধ্যে আসবে।

সম্পর্কিত