রবিবার, ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি
রবিবার, ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

রৌমারীতে ভিজিএফ এর ৫০টি স্লিপ বিক্রয়ের অভিযোগ ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে

মাসুদ রানা, নিজস্ব প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের রৌমারীতে পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের বিশেষ ভিজিএফ চালের স্লিপ বিক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্য এর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নে ।

জানাযায়, বন্দবেড় ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালাম এর নেত্রীত্বে স্কুল কলেজের ছাত্রদের দিয়ে ও স্থানীয় মো.মোনির হোসেন, ইমরান মিয়া, জায়দুল ইসলাম, মোন্তাজুল হক, রানাসহ আরো অনেকেই পর্যায়ক্রমে এই ৫০টি স্লিপের চাউল তুলে একত্রকরে পাখিউড়া ব্রীজ মোড় মো.ইসাহক নামের এক চাউল ব্যাবসায়ীর কাছে ৫০ টি স্লিপের ৫শকেজি চাউল বিক্রয় করা হয়েছে। চাউল উত্তলনকারী ছাত্রদের মধ্যে দুইজন ২টি স্লিপের ২০ কেজি চাউল ৩০ টাকা কেজি দরে বাহিরে এক ব্যাবসায়ীর কাছে বিক্রয় করলে তাদের কে জরিমানা স্বরুপ দিতে হয় প্রতি কেজি চাউল ৩৫ টাকা দরে আদায় করে ইউপি সদস্য এর মনোনিত ব্যাক্তি সোহেল আহমেদ।

এ বিষয়টি জান্তে পারে স্থানীয় ছাত্রলীগের সদস্যরা পরে ঘটনা স্থানেই কয়েক জনকে বাধাদেয়। এ নিয়ে তাদের মদ্ধে এক বাঘবিদন্ডার সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে সান্তকরে। এ ঘটনাটি নিয়ে গতবুধবার রাত সারে ৯ টারদিকে ইউপি সদস্য আবুল কালম বাধাদেওয়া সেই ছাত্রলীগ সদস্যদেরকে তার বাড়িতে ডাকেন এবং তিনি কিছু লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে তাদের কে অপমান ও হুমকি প্রদান করেন। এ বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

স্থানীয় রনি আহমেদ বলেন, ইউপি সদস্য আবুল কালাম ৫০টি ভিজিএফ এর স্লিপের চাউল বিক্রি করে পাখিউড়া ব্রীজের চাউল ব্যবসায়ী ইসাহকের কাছে এ সময় ছাত্রলীগের সদস্যরা বাধাদিলে ছাত্র লীগের সদস্যদের উপর ক্ষিতহয়ে যায় এবং অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ পারে ইউপি সদস্যর লোকজন, পরে স্থানীয় আমরা কয়েক জন গিয়ে তাদের কে শান্ত করি।

ছাত্র লীগের সদস্য নাছিমুল ইমাম বলেন, গতককল বুধবার বন্দবেড় ইউনিয়নে ৩ ওয়ার্ডে ভিজিএফ এর চাউল বিতারণ করা হয়। কিন্তু সেখানে গরিব মানুষ বাদ দিয়ে স্কুল কলেজের ছাত্রদেরকে দিয়ে কালাম মেম্বর এক ব্যাপারীর কাছে ৫০টি স্লিপের চাউল বিক্রয় করে। এবং দুই ছাত্রকে চাউল বিক্রয়ের দায়ে জরিমানা আদায়করে আমরা এর প্রতিবাদ করতে গেলে ইউপি সদস্য ও তার লোকজন আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ পারে আবার সেইদিন বুধবার (৩এপ্রিল) রাত সারে ৯ টারদিকে ইউপি সদস্য আবুল কালম আমাগরে তার বাড়িতে ডাকেন সেখানে আমি সহ আরো অনেকেই যাই আমাগরে তার বাড়ীতে ডেকে নিয়ে অপমান করে এবং তার কিছু লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে অপমান করাসহ হুমকি প্রদান করেন। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

চাউল ব্যাবসায়ী ইসাহক বলেন, আমি মোনির হোসেন, ইমরান মিয়া, জায়দুল ইসলাম, মোন্তাজুল হক ভ্যান গাড়ীতে করে চাউল আনছে তারা আমাকে এহনো চাউল দেয়নাই তবে ২জন এসে আমার চাউল মাপার মিটার নিয়েগেছে চাউল মাপতেছে। এখন তারা আমারে চাউল দিবো না অন্য কোথায় বিক্রয় করবো আমি যানি না। তবে তারা চাউল আনছে আমি দেখছি।

৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালম বলেন,আমি ভিজিএফ এর স্লিপের চাউল বিক্রয় করি নাই এবং আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। তবে এবার ভিজিএফ এর নামের তালিকায় ছাত্রদের নাম রয়েছে তারা বিক্রয় করলে আমি কি করমু যার চাউল সেই বিক্রয় কর্তেছে এখানে আমার কিছুই করার নাই।

বন্দবেড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ আব্দুল কাদের সরকার বলেন, আমি যার স্লিপ তাকেই চাউলদেই স্লিপ ছাড়া কোন চাউল দেই না। আমার ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বর আবুল কালাম যে ভিজিএফ এর চাউল বিক্রির বিষয়ে আমি কিছুই জানি না তবে খোজ খবর নিতেছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান বলেন, এ বিষয়ে আমি কোন অভিযোগ পাইনাই তবে অভিযোগ পেলে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়েজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত