মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি
মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

রাজবাড়ীতে থানায় ঢুকে ওসিকে বৈদ্যুতিক শক, তিনজন গ্রেপ্তার

রাজবাড়ী প্রতিনিধি ঃরাজবাড়ী সদর থানায় ঢুকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখারুল আলম প্রধানকে বৈদ্যুতিক শকার মেশিন দিয়ে শক দিয়ে আহত করেছেন এক যুবক।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনায় রাজবাড়ী সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নীহারিকা সরকার বাদী হয়ে ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এর আগে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ওসির নিজ অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন: রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের ডিগ্রীচর চাঁদপুর গ্রামের আজাদ শেখের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৪), একই গ্রামের আজিজ শেখের ছেলে লিটন শেখ (৪৫) ও শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের মো. ইউসুফ আলীর ছেলে আক্কাস আলী মিয়া (৪৩)। এদের মধ্যে আক্কাস আলী শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের রূপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার জি এম আবুল কালাম আজাদ জানান, রোববার বিকেলে লিটন থানায় একটি জিডি করতে যান। তার সঙ্গে থানায় যান শফিকুল। এসময় লিটন ডিউটি অফিসারের কাছে গিয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে জিডি করতে চান। ৯ জনের বিরুদ্ধে জিডির বিষয়টি ডিউটি অফিসারের সন্দেহ হলে তিনি ওসি ইফতেখারুল আলম প্রধানকে জানান। তখন ওসি লিটন ও শফিকুলকে ডেকে তার রুমে নেন। শফিকুল ওসির রুমে ঢুকে আক্কাসকে ফোন করে লাইনে রেখে ফোন পকেটে ঢুকান। এ সময় ওসির সন্দেহ হলে ওসি শফিকুলের পকেট চেক করতে যান। তখন শফিকুল তার পকেটে থাকা ৫ হাজার কিলোভোল্টের বৈদ্যুতিক শকার মেশিন বের করে ওসির মুখে শক দেন। এতে ওসির মুখ কেটে যায়। এ সময় শফিকুল ও লিটন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে তাদের সহযোগী আক্কাসকেও আটক করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, আহত ওসির মুখে একটি সেলাই লেগেছে। এ ঘটনায় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নীহারিকা সরকার বাদী হয়ে ৩ জনের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেয়া ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেছেন।

মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশ আটক তিন আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়ে। রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

সম্পর্কিত