বুধবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি
বুধবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন দাবি উপজেলা চেয়ারম্যানের

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের রৌমারীতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইমান আলীর বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন ড্রেজার মালিক ময়েজ উদ্দিন ও তার সহযোগী লুৎফর রহমান। রবিবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রৌমারী শাখার অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। পরে উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনের শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয় তা মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইমান আলী।

সংবাদ সম্মেলনে ময়েজ উদ্দিন বলেন, বাঁধ নির্মান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের হলহলিয়া নদীর মুখ (চুলকানির খাল) বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন হওয়ার মিথ্যা কথা বলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইমান আলী। চেয়ারম্যানের নির্দেশনা মোতাবেক বাধটি নির্মাণের জন্য মাপা হয় যথাক্রমে দৈর্ঘ্য ১৬৫০ ফুট ও প্রস্থ ৫০ ফুট। সেই অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইমান আলী ও ড্রেজার মালিক ময়েজ উদ্দিনের সাথে একটি চুক্তিনামা স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিনামা অনুযায়ী ২৫ ফেব্রুয়ারী ২৩ মাটি ভরাটের কাজ শুরু করা হয় এবং ২০ এপ্রিল ২৩ কাজ শেষ হয়। কাজ শুরুর আগেই জামানত হিসেবে প্রায় পৌনে ৫ লক্ষ টাকা নেন চেয়ারম্যান।

এদিকে মাটি ভরাটে শ্রমিক ও জ¦ালানী তেলসহ মোট খরচ প্রায় ৪৮ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্থার (কাবিটা) প্রকল্প থেকে প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ টাকা দিলেও বাকি প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা এখনও দেয়নি চেয়ারম্যান ইমান আলী। চেয়ারম্যানের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে টালবাহনা করতে থাকেন এবং নানা ভাবে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এঘটনায় ময়েজ উদ্দিন বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম বিজ্ঞ আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এবিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইমান আলী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ইটালুকান্দায় হলহলিয়া নদীর মুখে (চুলকানির খালে) বাঁধ নির্মান প্রকল্পে বকেয়া টাকা পাবে মর্মে যারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দাবী করেছে তা মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বাঁধ নির্মানে চুক্তি স্বাক্ষর, প্রকল্প ও অর্থ লেনদেন হয়েছে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপির সাথে। বাঁধ নির্মানে আমার সাথে কোন টাকা পয়সা লেনদেন হয়নি এবং চুক্তি স্বাক্ষরও হয়নি। আমার কাছে কোন টাকা পয়সা পাবে না। সরকারের নিয়মনীতি এবং সেখানে একটি নির্মান কমিটির মাধ্যমে সব কিছু হয়েছে। শুধু উন্নয়নের স্বার্থে আমার দৌড় ঝাপ। আমার বিরুদ্ধে যারা সংবাদ সম্মেলন করেছেন তা মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন। যারা আমার সম্মানহানী করেছেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

 

সম্পর্কিত