বুধবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি
বুধবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

বালিয়াকান্দিতে সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৮ জন আহত, রান্নাঘরে অগ্নিসংযোগ

বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) প্রতিনিধিঃরাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ইটের সলিং দিয়ে পাকা সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ ৮ জন আহত এবং আগুনে একটি ঘর পুড়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে বালিয়াকান্দি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ মার্চ) সকালে উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের চর বিলধামু (বাকসাডাঙ্গী) গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, জাহিদুল গ্রুপের আলেয়া বেগম, আহিদা বেগম, খালেক শেখ, আনিস শেখ এবং মিঠু শেখ গ্রুপের রবিউল শেখ, জহুরুল শেখ, শরিফ শেখ, সবুজ শেখ।

স্থানীয়রা জানান, নারুয়া ইউপি থেকে সরকারিভাবে নারুয়া বাজার স্লুইচ গেট থেকে বাকসাডাঙ্গী চত্রা নদীর পাশ দিয়ে ইটের সলিং দিয়ে সড়ক নির্মাণকাজের উদ্যোগ গ্রহণ করে। অনেক বাধার পর সড়কটির প্রায় নির্মাণকাজ শেষপর্যায়ে আসলেও চরবিলধামু এলাকায় জাহিদুল শেখ ও মিঠু শেখ গ্রুপের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় জাহিদুল শেখরা সড়ক নির্মাণে বাধা দিয়ে আসছিলেন। সকালে মিস্ত্রিরা কাজ করতে আসলে বাধা দেয়। এতে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

জাহিদুল শেখ বলেন, আমার জায়গার উপর দিয়ে জোরপূর্বক সড়ক নির্মাণ করতে চায়। বাধা দিলে মারধর করাসহ ঘরে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এর আগে ঝামেলা হওয়ায় মঙ্গলবার (১২ মার্চ) এ নিয়ে বালিয়াকান্দি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

মিঠু শেখ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইটের সলিং দিয়ে সড়ক নির্মাণ করছিল। এ সময় জাহিদুল শেখের নেতৃত্বে লোকজন মিস্ত্রিদের কাজে বাধা দেওয়াসহ লাঞ্ছিত করে। আমরা প্রতিবাদ করায় হামলা চালিয়ে আহত করে। তারা নিজেদের ঘরে নিজেরা আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে।

নারুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সড়ক নির্মাণ কাজে বাধা দেয়। এতে স্থানীয় দু’গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) উপস্থিত ছিলেন আবার উপস্থিত থাকলে মারা গেছে মোঃ আলমগীর হোসেনসহ পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে আসলে উপজেলা চেয়ারম্যান দু’পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার আশ্বাস দিয়েছেন।

বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ দায়ের করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত