বৃহস্পতিবার, ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি
বৃহস্পতিবার, ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

চিলমারী ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অষ্টমীর স্নানে লক্ষাধিক ভক্তের ঢল

স্টাফ রিপোর্টার,মেজবাহঃ চিলমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের তিরে আজ মঙ্গলবার হিন্দু সম্প্রদায়ের অষ্টমী স্নান মেলা শুরু হয় । ১৬ এপ্রিল, মঙ্গলবার ভোর ৪ টা থেকে বিকেল ৪.৫৬ মিনিট পর্যন্ত স্নান করার উপযুক্ত লগ্ন। ব্রহ্মপুত্রে স্নান উপলক্ষে সারা দিন ধরে চলছে অষ্টমীর কার্যক্রম। অষ্টমী স্নানকে কেন্দ্র করে দুই দিন থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের বালুর উপর তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন দোকান , বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা ও টয়লেট।

ভোরে ‘হে ব্রহ্মপুত্র মহাভাগ শান্তর্ণ কুলনন্দর্ণ অমুঘা গর্ভ সন্তুতো পাপষ লৌহিত মে হরো’ অর্থাৎ ‘হে ব্রহ্মপুত্র মহাভাগত মোর পাপ মোচন করো’ মন্ত্র পড়ে পুণ্যার্থীরা স্নানকার্য সম্পাদন করবেন।

চিলমারী উপজেলার রমনা ঘাট থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণে প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকাব্যাপী মাষ্টারপাড়া পর্যন্ত বালুর উপর তৈরি হয়েছে হরেক রকম পণ্যের স্টল। বায়স্কোপ, সার্কাসসহ নানান ধরনের খেলনার দোকান। নদের উপকূল ধরে বসেছে বিভিন্ন রকমের দোকানপাট। মাটির তৈরি হাঁড়ি-পাতিল, থালা, বদনাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পারিবারিক জিনিসপত্র তো আছেই। প্রতিবছরই এই ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে এ স্নান উৎসব হয়ে থাকে। তবে গতবারের চেয়ে তুলনামূলক পুণ্যার্থী সংখ্যা কম।

চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)মো.মিনহাজুল ইসলাম বলেন, চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজন আসে। তাই আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিলমারীর বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোড়দার করেছি। ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট, ডুবুরি দল এবং পুলিশ, আনসার বাহিনীর সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অসুবিধা হয়নি। তবে গতকাল রাতে একজন পুরোহিতের মৃত্যু হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

সম্পর্কিত