আজ ১০ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ



কুড়িগ্রামে ‘গ্রিন ইকো’র সুপারি চারা বিতরণ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

“সুপারি চারা রোপণ করি, পরিবেশ বান্ধব অর্থনীতি গড়ি” এই স্লোগানকে ধারণ করে সবুজ অর্থনীতি গড়ার লক্ষে ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রিন ইকো’ কুড়িগ্রামে সুপারি চারা বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ৩রা ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেল তিনটায় গ্রিন ইকো কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চৌবাড়ি পয়রাডাঙ্গা গ্রামের বিশটি পরিবারে পাঁচটি করে সুপারি গাছের চারা এবং এক প্যাকেট করে উচ্চ ফলনশীল পেঁপে বীজ প্রদন করে। সে সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রিন ইকোর পরিচালক সঞ্জয় চৌধুরী।
তিনি বলেন- “বর্তমান পৃথিবীর সামনে জলবায়ু ও পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবেলাই হলো প্রধান চ্যালেন্জ। বাংলাদেশের জন্য সেটি আরো বড় রকমের চ্যালেন্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতিই জলবায়ু ও পরিবেশ বিপর্য়ের অন্যতম কারণ। তাই বাংলাদেশের দরিদ্রতম জেলা কুড়িগ্রাম থেকে সবুজ অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি”।

গ্রিন ইকোর এই কার্যক্রমের সাথে আরো যুক্ত হয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্লোবাল সিটিজেন্স ফর হিউমিনিটি’ ও ‘রিনিউ নাও’ নামের দুটি সংগঠন।
অনলাইনে গ্লোবাল সিটিজেন্স ফর হিউমিনিটি এর সভাপতি এহসানুল করিম এবং রিনিউ নাউ এর পরিচালক রায়হান আহমেদ যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন।

অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন গ্রিন ইকোর উপদেষ্টা সুব্রত ভট্টাচার্য। তিনি গ্রিন ইকোর এই সুপারি চারা বিতরণ কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন- “সারা বাংলাদেশে এরকম কার্যক্রম হওয়া দরকার। সকলের অংশগ্রহনই পারে আমাদের প্রকৃতি পরিবেশকে সুন্দর করতে।” তিনি এসময় ‘গ্লোবাল সিটিজেন্স ফর হিউমিনিটি’ এবং ‘রিনিউ নাও’ সংগঠন দুটিকে গ্রিন ইকোর সাথে একাত্ব হওয়ার কারণে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রিন ইকো কর্মী সুমন সেন, কার্তিক সেন, বর্ণমালা, তমাল হোসেন, বিপ্লবী রাণী, ফরিদুল ইসলাম, সুমাইয়া আক্তার, বাপ্পী প্রমুখ।

উল্লেখ্য- গ্রিন ইকো গত ১৯ই নভেম্বর কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বোতলারপাড় গ্রামে ২০টি পরিবারে ১০০ টি সুপারি চারা বিতরণ করেছে। এ মাসেই কুড়িগ্রামের বাকী উপজেলায় এ কার্যক্রম সম্পন্য করা হবে বলে জানান গ্রিন ইকোর পরিচালক সঞ্জয় চৌধুরী।

গ্রিন ইকো আয়োজিত বৃক্ষ বিতরণের এই কার্যক্রম থেকে পাঁচটি সুপারির চারা ও পেঁপে বীজ পেয়ে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র সিহাব বলে- “এই গাছ পেয়ে আমি খুবই খুশি। এই গাছ পরিবেশ ভালো রাখবে, আবার সুপারি বিক্রি করে অর্থও আসবে। আমি আরো বেশি বেশি করে গাছ লাগিয়ে পরিবেশের উন্নয়ন করবো।”



Comments are closed.

      আরও নিউজ

ফেসবুক পেইজ