নভেম্বর ৩০, ২০২২ ৪:০৪ বিকাল



কুড়িগ্রামে করোনা প্রতিরোধে জেলার সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলায় করোনার প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে করনীয় সংক্রান্তে রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুর ১২ ঘটিকায় কুড়িগ্রাম জেলার প্রায় দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সংগঠনের কর্মীদের সাথে মত বিনিময় করেন কুড়িগ্রাম জেলার  পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খাঁন (বিপিএম)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোহাম্মদ মেনহাজুল আলম সহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

উপস্থিত সংগঠনের সকল সদস্যদের সামনে বক্তৃতা প্রদানকালে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খাঁন (বিপিএম) কুড়িগ্রামে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গৃহীত সকল পদক্ষেপ, বাস্তবায়নকৃত সকল পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোকপাত করেন।

এছাড়াও তিনি প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় কালে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন এবং গ্রাম্য পর্যায়ের সমস্যা সমূহ শুনে তাত্ক্ষনিক সমাধানের চেষ্টা করেন এবং কিছু কিছু সমস্যার পরবর্তীতে নিজেই প্রশাসনিকভাবে সমাধান করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খাঁন (বিপিএম) বলেন, আমার একার পক্ষেই জেলার প্রতিটি স্থানে গিয়ে সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তিনি জেলার সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে একীভূত হয়ে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম করার জন্য আহ্বান জানান।

তিনি ইতোমধ্যেই জেলার গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জীবানু নাশক স্প্রে, সচেতনতা মূলক মাইকিং, বিভিন্ন স্থানে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। জেলা পুলিশ জেলার প্রতিটা বাজার নিয়মিত মনিটরিং করে যাচ্ছে।

শুধুমাত্র নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ব্যতীত সকল দোকান বন্ধ রাখা, রাত আট টার আগেই সকল দোকানপাট বন্ধ করা, জন সমাগম এড়িয়ে চলা, সকল বিদেশ ফেরত এবং বর্তমানে ঢাকা থেকে আগত সবাইকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে উদ্বুদ্ধ করা, দ্রব্যমূল্যের দাম যাতে কেউ বেশি নিতে না পারে এজন্য নিয়মিত বাজার মরিটরিং করা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খাঁন (বিপিএম) স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, তারা যে যার ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদের মধ্যে যেন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে (প্রয়োজনে মাইকিং করে) , সোস্যাল ডিসটেন্স বজায় রাখতে সকলকে সচেতন করা, প্রতিটি বাজারে হাত ধোয়ার এবং জীবানুনাশক স্প্রে করার ব্যবস্থা করতে হবে।

এছাড়াও তিনি আরো বলেন, সকল সংগঠন যেন নিজেরাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তাদের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে।

 



Comments are closed.

      আরও নিউজ