বুধবার, ২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২১শে জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি
বুধবার, ২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২১শে জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

কুড়িগ্রামে বিয়েতে এসে প্রাণ গেলো ভারতীয় নাগরিকের

মোঃরাজু আহমেদ কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে বিয়েতে এসে প্রাণ গেলো ভারতীয় নাগরিকের
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় শ্যালিকার বিয়েতে এসে বিকাশ চন্দ্র সরকার (৪১) নামে এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

বিকাশ চন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার কুস্তিবাড়ি দক্ষিণ থাপাইটারি গ্রামের মিলন চন্দ্র সরকারের ছেলে।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধায় জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নে বিকাশের শ্বশুরবাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকাশ চন্দ্র সরকার শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। গত (২১ জানুয়ারি) শ্যালিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে বৈধভাবে স্ত্রী শেফালী সরকার ও তিন বছরের ছেলে সন্তানকে নিয়ে ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের শশুর শ্রীকৃষ্ণ রায় মেঘারামের বাড়িতে আসেন তিনি। এরপর শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিয়ের অনুষ্ঠানে বিকাশের শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা অনুভব করলে শ্বশুড় বাড়ির লোকজন স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিলে কিছুটা সুস্থ হন তিনি। পরে ১১ ফেব্রুয়ারি বিকাশের শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিকাশ চন্দ্র সরকারের শেফালী সরকার বলেন, গত ২১ জানুয়ারি স্বামী-সন্তানসহ বৈধ পাসপোর্ট নিয়ে বোনের বিয়েতে এসেছি। বিয়ের অনুষ্ঠানে আমার স্বামীর পুরোনো শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টু জানান, আমার ইউনিয়নে ওই ভারতীয় নাগরিক গত ২০ দিন আগে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে শ্যালিকার বিয়ে খেতে আসেন। আজ রোববার অসুস্থ হলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তার মৃত্যু হয়।

ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার নাজমীন আক্ততার জানান, রোগী হাসপাতালে আসার আগেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণ কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, যেহেতু অসুস্থতার কারণে ওই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সম্পর্কিত